ভারত, নয়া-ফ্যাসিবাদ এবং নভেম্বর বিপ্লব

Author
শমীক লাহিড়ী

সম্পদের বৈষম্য - পুঁজির কেন্দ্রীভবনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য, দেশের মোট জাতীয় সম্পদের একটি বৃহৎ অংশ অতি ধনী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভুত হওয়া। ২০২৩ সালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক ও দেশের বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের শীর্ষ ১ শতাংশ ধনী ব্যক্তির হাতে দেশের মোট সম্পদের ৪০.১ শতাংশ কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এটা ১৯৬১ সাল থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ।

India, Neo-Fascism, and the November Revolution

প্রথম পর্ব


৯১৭ সালে নভেম্বর বিপ্লব প্রতিষ্ঠিত সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিশ্ব পুঁজিবাদের ভিত্তিপ্রস্তরকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এই বিপ্লবী সাফল্যের উল্টোদিকে সেই সময়েই ইউরোপে পুঁজিবাদী সংকট আরও ঘনীভূত হয়। এই গভীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এবং সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ঢেউকে প্রতিহত করতে পুঁজিবাদের সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ও সন্ত্রাসবাদী একনায়কতন্ত্রিক রূপ ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে, যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ইতালিতে মুসোলিনি এবং জার্মানিতে হিটলারের নাৎসিবাদ।

ফ্যাসিবাদ শুধু কয়েকজন উগ্র নেতার রাজনৈতিক আন্দোলন নয়; বরং এটা পুঁজিবাদের কাঠামোগত সংকটের ফসল এবং বিপ্লবের বিরুদ্ধে প্রতিবিপ্লব। এই বিশ্লেষণের প্রধান ভিত্তি স্থাপন করেন কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের (কমিন্টার্ন) সপ্তম কংগ্রেসে জর্জি ডিমিট্রভ। কমিন্টার্ন ফ্যাসিবাদের শ্রেণীচরিত্র বিশ্লেষণ করে একে পুঁজিবাদের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক রূপ হিসেবে চিহ্নিত করে। কমিন্টার্নের ত্রয়োদশ প্লেনাম (১৯৩৩) ফ্যাসিবাদের একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেয় – “ফ্যাসিবাদ হলো লগ্নী পুঁজির (Finance Capital) সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল, সবচেয়ে উগ্র সাম্রাজ্যবাদী ও সবচেয়ে সন্ত্রাসবাদী একনায়কতন্ত্র।”

লগ্নী পুঁজি হলো পুঁজিবাদী বিকাশের একচেটিয়া পর্যায়ে পুঁজির সর্বোচ্চ ঘনীভবন, যা শিল্প ও ব্যাঙ্ক পুঁজির একত্রিত রূপ। পুঁজিবাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের সময়ে, এই বৃহৎ পুঁজি নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় উদারনৈতিক গণতন্ত্রের মুখোশ খুলে ফেলে সরাসরি সন্ত্রাস ও হিংসার আশ্রয় নেয়। ফ্যাসিবাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল, সমাজতন্ত্রকে প্রতিহত করা, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনকে বজায় রাখা এবং শ্রমিকশ্রেণী এবং গণতন্ত্রের সমস্ত অর্জিত অধিকারগুলিকে চূর্ণ করা।

ফ্যাসিবাদের সামাজিক ভিত্তি
ফ্যাসিবাদ শ্রমিকশ্রেণী বা মূল বুর্জোয়া শ্রেণীর ওপর নির্ভর না করে, সমাজের হতাশাগ্রস্ত ক্ষুদ্র বা পেটি বুর্জোয়া, অস্থির বুদ্ধিজীবী এবং লুম্পেন প্রলেতারিয়েতদের উগ্র জাতীয়তাবাদ ও বর্ণবাদের ভিত্তিতে সংগঠিত করে। নভেম্বর বিপ্লব দ্বারা অনুপ্রাণিত সমাজতন্ত্রের ঢেউ যখন ইউরোপে আছড়ে পড়ছিল, তখন পুঁজিবাদের অর্থনৈতিক দুর্দশা এই মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে উগ্র দক্ষিণপন্থী রাজনীতিতে ঠেলে দিয়েছিল।

ফ্যাসিবাদ-বিরোধী লড়াই, যুক্তফ্রন্টের কৌশল
নভেম্বর বিপ্লবের প্রধান শিক্ষা ছিল শ্রমিকশ্রেণীর ঐক্য এবং বিপ্লবী শক্তির নেতৃত্ব। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়েই ১৯৩০-এর দশকে ফ্যাসিবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের প্রধান রণকৌশল হিসেবে যুক্তফ্রন্ট গড়ে ওঠে। হিটলারের ক্ষমতায় আসা এবং মুসোলিনির দমন-পীড়নের পরে কমিউনিস্টরা উপলব্ধি করে যে, ফ্যাসিবাদী বিপদ এতটাই তীব্র যে, মতাদর্শগত বিভেদ ভুলে সকল ফ্যাসিবাদ-বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে। কমিন্টার্নের সপ্তম কংগ্রেসে (১৯৩৫) জর্জি ডিমিট্রভ জনগণের ফ্রন্টের ধারণা দেন, যার লক্ষ্য ছিল -

১) শ্রমিকশ্রেণীর ঐক্য - প্রথমে কমিউনিস্ট এবং সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট দলগুলো এবং শ্রমিকশ্রেণীর কাজের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।

২) ব্যাপক গণতান্ত্রিক ঐক্য - এরপর এই ঐক্যকে সমাজের সমস্ত ফ্যাসিবাদ-বিরোধী শক্তি, যেমন ক্ষুদ্র কৃষক, বুদ্ধিজীবী, এবং কিছু উদারনৈতিক বুর্জোয়া অংশ — এদের নিয়ে ব্যাপক গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠন করা।
স্পেনের গৃহযুদ্ধ (১৯৩৬-৩৯) এই জনগণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন, যেখানে আন্তর্জাতিক ব্রিগেড  বিপ্লবী শক্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছিল। এই ব্রিগেড ছিল পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে শ্রমিকশ্রেণীর আন্তর্জাতিক সংহতির একটি অসাধারণ উদাহরণ, যা ছিল নভেম্বর বিপ্লবের সর্বহারার আন্তর্জাতিকতাবাদী নীতির প্রতিফলন।

সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা
ফ্যাসিবাদ-বিরোধী সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু ও প্রধান দুর্গ হিসেবে কাজ করেছিল বিপ্লব প্রতিষ্ঠিত সোভিয়েত ইউনিয়ন। হিটলারের ফ্যাসিস্ট শক্তিকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করার ক্ষেত্রে সোভিয়েত ইউনিয়নের অবদানই ছিল নির্ণায়ক।মস্কোর যুদ্ধ (১৯৪১) - নাৎসি জার্মানির 'ব্লিটজক্রিগ' বা তড়িৎ যুদ্ধ কৌশলের প্রথম বড় ব্যর্থতা ঘটে মস্কোর উপকণ্ঠে রেড আর্মির বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের মুখে।
স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ (১৯৪২-৪৩) - এটিকে যুদ্ধের নির্ণায়ক সন্ধিক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই যুদ্ধে জার্মান বাহিনীর পরাজয় অক্ষশক্তির পতনকে অনিবার্য করে তোলে।
কুরস্কের যুদ্ধ (১৯৪৩) - ইতিহাসের বৃহত্তম ট্যাঙ্ক যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় পূর্ব রণাঙ্গনে জার্মান সেনাবাহিনীর আক্রমণ করার ক্ষমতা চিরতরে শেষ করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ২ কোটি ৭০ লক্ষেরও বেশি মানুষ জীবন দিয়েছিলেন। এই অভূতপূর্ব আত্মত্যাগ বিশ্বকে ফ্যাসিবাদী দাসত্ব থেকে মুক্তি দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বার্লিন বিজয়ের মাধ্যমে নাৎসি পতনের পর প্রমাণিত হয়, সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার নৈতিক ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব ছিল পুঁজিবাদের প্রতিক্রিয়াশীল রূপের বিরুদ্ধে টিকে থাকার এক অদম্য শক্তি।

বর্তমান ভারতে প্রাসঙ্গিকতা
নভেম্বর বিপ্লবের শ্রেণীসংগ্রামের আদর্শ ফ্যাসিবাদকে পুঁজিবাদের চূড়ান্ত রূপ হিসেবে বুঝতে এবং তাকে পরাস্ত করার জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন করেছিল। এর অভিজ্ঞতা বর্তমান ভারতের পরিপ্রেক্ষিতেও তত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমানে ভারতে রাজনৈতিক প্রবণতা 'নয়া-ফ্যাসিবাদী' বা 'নির্বাচিত একনায়কতন্ত্র'-এর দিকে ঝুঁকেছে।

যে ফ্যাসিবাদী উপাদানগুলি লক্ষণীয় 
লগ্নী পুঁজির স্বার্থ রক্ষা - বৃহৎ কর্পোরেট পুঁজির একচেটিয়া আধিপত্য বৃদ্ধি এবং শ্রমিক অধিকার খর্ব করার মাধ্যমে পুঁজির কেন্দ্রীভবনকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

পুঁজির কেন্দ্রীভবন অর্থ, অর্থনীতির মোট সম্পদ বা উৎপাদন ক্ষমতার একটি ক্রমবর্ধমান অংশ খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তি, সংস্থা বা কর্পোরেট গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়া। এটা পুঁজিবাদের বিকাশের একচেটিয়া পর্যায়ের একটি অনিবার্য বৈশিষ্ট্য, যা অর্থনৈতিক বৈষম্যকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। ভারতে বর্তমানে সাংঘাতিকভাবে পুঁজির কেন্দ্রীভবন ঘটছে।

সম্পদের বৈষম্য - পুঁজির কেন্দ্রীভবনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য, দেশের মোট জাতীয় সম্পদের একটি বৃহৎ অংশ অতি ধনী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভুত হওয়া। ২০২৩ সালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক ও দেশের বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের শীর্ষ ১ শতাংশ ধনী ব্যক্তির হাতে দেশের মোট সম্পদের ৪০.১ শতাংশ কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এটা ১৯৬১ সাল থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ।

দ্রুত ক্রমবর্ধমান এই বৈষম্য জি-২০-এর ২০২৫ সালের রিপোর্টেই প্রতিফলিত হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুসারে, ২০০০-২০২৩ সালের মধ্যে ভারতের শীর্ষ ১ শতাংশ ধনীর সম্পদের অংশ ৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে, অর্থনৈতিক মাপকাঠিতে নিচের দিকের ৫০ শতাংশ ভারতীয়র হাতে মোট সম্পদের অংশ মাত্র ৩ শতাংশ। আয়ের ক্ষেত্রেও এই বৈষম্য প্রকট। ভারতের শীর্ষ ১ শতাংশ মানুষ দেশের মোট জাতীয় আয়ের ২২.৬ শতাংশ উপার্জন করে (২০২২-২৩ সাল)।

শ্রেণি                         জাতীয় আয়ের ভাগ           মোট সম্পদের ভাগ

শীর্ষ ১ শতাংশ            ২২.৬ শতাংশ                         ৪০.১ শতাংশ

শীর্ষ ১০ শতাংশ          ৫৭.২ শতাংশ                        ৬৫ শতাংশ (প্রায়)

মধ্য ৪০ শতাংশ         ২৭.৩ শতাংশ                       ২৮ শতাংশ

নীচের ৫০ শতাংশ        ১৫ শতাংশ                         ৬.৪ শতাংশ

অর্থাৎ, ভারতের শীর্ষ ১ শতাংশ মানুষ দেশের প্রতি ৪ টাকার মধ্যে ১ টাকার বেশি আয় করে এবং দেশের মোট সম্পদের প্রায় অর্ধেকের মালিক। সূত্রঃ "ইন্ডিয়া ইনইকুয়ালিটি রিপোর্ট: দ্য রাইজ অফ দ্য বিলিয়নিওর রাজ" (WIL)

স্বাধীনতার পরের ৩০ বছরে (১৯৫০-৮০) বৈষম্য কিছুটা কমেছিল কারণ, দেশের কিছু রাজ্যে ভূমি সংস্কার, কর নীতি ও সরকারি বিনিয়োগ হয়েছিল। ১৯৯১ সালের অর্থনৈতিক উদারীকরণের পর থেকে আয়ের বৈষম্য দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০১০-এর দশকে ভারতের ধনীক শ্রেণি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে সম্পদ অর্জন করেছে, বিশেষত কর্পোরেট মালিকানার মাধ্যমে।

আয় বৈষম্যের ঐতিহাসিক গতিপথ বোঝা যায় নীচে উল্লিখিত সারণী থেকে। সূচকের তথ্যগুলি ১৯৫১ থেকে ২০২২-২৩ সালের মধ্যে ভারতের আয়ের বণ্টনে একটি বিরাট কাঠামোগত পরিবর্তন নির্দেশ করে।

সময়কাল            শীর্ষ ও এর আয়ের অংশ (শতাংশে প্রকাশিত)                                                                        প্রবণতা ও কারণ
১৯৫১-৯১             শীর্ষ ১% ও ১০% এর আয়ের অংশ নেতিবাচক ছিল (অর্থাৎ, আয়ের হার কমছিল)।               এটি স্বাধীনতার পর মিশ্র অর্থনীতি কার্যকর থাকার কারণে হয়েছিল,                                                                                                                                                                            যেখানে ধনীদের আয় নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল।
২০২২-২৩          শীর্ষ ১% এর অংশ বেড়ে হয়েছে ২২.৬% এবং শীর্ষ ১০% এর অংশ বেড়ে ৫৭%+ হয়েছে।      এটি ১৯৯১ সালের অর্থনৈতিক উদারীকরণের পর ঘটে। এর ফলে                                                                                                                                                                              পুঁজিবাদের দ্রুত উত্থান হয়, যেখানে সম্পদ ও আয়ের সিংহভাগ
                                                                                                                                                                  জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

এই তথ্যগুলিই প্রমান করে, ভারতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (Economic Growth) হলেও এর সুফল সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, বরং এটি পুঁজির ঘনীভবনকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

কর্পোরেট ক্ষমতার ঘনীভবন
পুঁজির কেন্দ্রীভবন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয়, তা কর্পোরেট স্তরেও দৃশ্যমান। অর্থাৎ, অর্থনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র মাত্র কয়েকটি বৃহৎ কর্পোরেট গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে।

টেলিকম ক্ষেত্র - এখানে কর্পোরেট ঘনীভবনের সবচেয়ে প্রকট। একসময় ভারতে প্রায় ডজনখানেক টেলিকম অপারেটর থাকলেও, বর্তমানে মূলত তিনটি বৃহৎ প্রাইভেট অপারেটরের হাতে কেন্দ্রীভূত। এদের মধ্যে শীর্ষ দুটি সংস্থা টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (TRAI)-এর রিপোর্ট এবং অন্যান্য শিল্প বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভারতের মোট বাজার রাজস্বের (Adjusted Gross Revenue - AGR) সিংহভাগ অর্থাৎ ৮৫% থেকে ৯০% এর কাছাকাছি বর্তমানে প্রধানত দুটি সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে - রিলায়েন্স জিও এবং ভারতী এয়ারটেল। ভোডাফোন আইডিয়া এবং বিএসএনএল ও এমটিএনএল-এর কাছে বাজারের বাকি সামান্য অংশ রয়েছে। এই ঘনীভবন ছোট অপারেটরদের বাজার থেকে বিলীন করে দিয়েছে এবং দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই তিনটি সংস্থার হাতেই এখন চূড়ান্ত ক্ষমতা।


প্রতিবেদনটি দুটি পর্বে প্রকাশিত
দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্ক


প্রকাশ: ১৬-নভেম্বর-২০২৫

আপনার মতামত

এই লেখাটি সম্বন্ধে আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।

This Is CAPTCHA Image

শেষ এডিট:: 16-Nov-25 03:35 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/india-neo-fascism-and-the-november-revolution - exists in postID 32024
Categories: Fact & Figures
Tags: fascism, neo fascism, november revolution
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:



লেখক/কিওয়ার্ড